দ্যা অ্যাকাডেমিক ইউনিয়ন, অক্সফোর্ড এর “দ্যা নেইম ইন সাইন্স” (The Name in Science) পুরস্কারের জন্য মনোনীত হলেন হারবাল গবেষক ডা. আলমগীর মতি

Award News

গবেষণা ও ব্যবসার ক্ষেত্রে অসাধারণ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ দ্যা অ্যাকাডেমিক ইউনিয়ন,
অক্সফোর্ড এর “দ্যা নেইম ইন সাইন্স” (The Name in Science)
পুরস্কারের জন্য মনোনীত হলেন হারবাল গবেষক ডা. আলমগীর মতি

গবেষণা ও ব্যবসার ক্ষেত্রে অসাধারণ অবদানের স্বীকৃতি স্বরূপ দ্যা অ্যাকাডেমিক ইউনিয়ন, অক্সফোর্ড-এর “দ্যা নেইম ইন সাইন্স” (The Name in Science) পুরষ্কারের জন্য মনোনীত হয়েছেন হারবাল চিকিৎসা ও গবেষণার পথিকৃৎ, আন্তর্জাতিক খ্যাতিসম্পন্ন গবেষক ও বিশিষ্ট চিকিৎসক ডা. আলমগীর মতি। আগামী ২৫ মার্চ ২০২২ তারিখ একটি অনলাইন অনুষ্ঠানের মাধ্যমে তাঁর হাতে এ সম্মাননা প্রদান করা হবে। গত ২৮ জানুয়ারি ২০২২ ই-মেইলের মাধ্যমে এ তথ্য জানিয়েছে প্রতিষ্ঠানটি। ডা. আলমগীর মতি মডার্ণ হারবাল গ্রুপের চেয়ারম্যান ও ব্যবস্থাপনা পরিচালক এবং এফবিসিসিআই এর আয়ুর্বেদিক ও হোমিও মেডিসিন বিষয়ক স্ট্যান্ডিং কমিটির চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন। উল্লেখ্য, মানব সেবায় গুরুত্বপূর্ণ অবদান রাখায় লায়ন্স ক্লাব ইন্টারন্যাশনাল ৩১৫ বি-২ বাংলাদেশের গভর্নরের প্রধান উপদেষ্টা হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন। তিনি ৫০ হাজারেরও অধিক ব্যক্তিকে নিজ খরচে চোখের অপারেশন করার মাধ্যমে ব্যাপক খ্যাতি ও সুনাম অর্জন করেছেন। এর পূর্বে তাকে শিল্প ও ব্যবসা খাতে গুরুত্বপূর্ণ অবদানের জন্য ১৯৯২ সালে ‘বাণিজ্যিকভাবে গুরুত্বপূর্ণ’ ব্যক্তি (সিআইপি) হিসেবে নির্বাচিত করেছে সরকার। ১৯৯৪ সালে ইন্ডিয়ান বোর্ড অব অলটারনেটিভ মেডিসিন থেকে “এমডি” ডিগ্রী অর্জন করেন। তিনি ১৯৯৫ সালে চায়না থেকে “নিউরো” ডিগ্রী অর্জন করেন। ২০০৬ সালের ১ এপ্রিল তিনি সোসাইটি অফ কমপ্লিমেন্টারি মেডিসিন এন্ড ফ্যামিলি ওয়েল ফেয়ার, পশ্চিমবঙ্গ, ভারত কর্তৃক সম্মানসূচক ডক্টর অফ ফিলোসোফী (ডিফিল) ডিগ্রী লাভ করেন। তিনি আমেরিকা বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটিতে হারবাল বিষয়ের উপর “এম ফিল” করেন। তিনি ১৯৭৭-৭৮ সালে বাংলাদেশের ১৮টি হোমিও কলেজ ছাত্র সংসদের সমন্বয়ে গঠিত জাতীয় পর্যায়ে হোমিওপ্যাথিক মেডিক্যাল কলেজ ছাত্র সংসদের ভিপি নির্বাচিত হন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে হোমিওপ্যাথিক ডিগ্রী কলেজ প্রতিষ্ঠার সংগ্রামে তিনি একজন অন্যতম পুরোধা। ডা. আলমগীর মতি শুধু একজন চিকিৎসক ও গবেষকই নন, তিনি একজন সফল লেখকও বটে। পেশাগত জীবনে এসে তাঁর চিন্তা ও গবেষণার মাধ্যমে রচনা করেন চিকিৎসাশাস্ত্রের উপর বেশ কয়েকটি অমূল্য গ্রন্থ। তাঁর রচিত অন্যান্য গ্রন্থসমূহের মধ্যে বিশ্বনবী (সাঃ) এর চিকিৎসা বিধান, নিরোগ থাকার উপায়, সুস্থ থাকার সোনালী উপায়, দীর্ঘায়ু লাভের উপায় অন্যতম। তিনি তার কর্মদক্ষতা ও কাজের স্বীকৃতি স্বরূপ ওয়ার্ল্ড কোয়ালিটি কমিটমেন্ট অ্যাওয়ার্ড-২০০৬,দি ইন্টারন্যাশনাল অ্যাওয়ার্ড ফর এক্সিলেন্স ইন প্রোডাক্টস এন্ড সার্ভিস-২০০৭, দি ডায়মন্ড আই অ্যাওয়ার্ড ফর কোয়ালিটি কমিটমেন্ট এন্ড এক্সিলেন্স-২০০৭ সহ ১৭টি আন্তর্জাতিক সম্মাননা পুরষ্কার এবং অসংখ্য জাতীয় পুরষ্কারে ভূষিত হন।

Leave a Reply

Your email address will not be published.